মুসলিম ধর্মাবলম্বী

আপনার শত্রুদের ভালবাসুন

যীশু বললেনঃ “তোমরা তোমাদের শত্রুদের ভালবেসো৷ যাঁরা তোমাদের ঘৃণা করে, তাদের মঙ্গল করো৷ যাঁরা তোমাদের অভিশাপ দেয়, তাদের আশীর্বাদ করো৷ যাঁরা তোমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে, তাদের জন্য প্রার্থনা করো৷”…..“যাঁরা তোমাদের ভালবাসে, তোমরা যদি কেবল তাদেরই ভালবাস, যাঁরা তোমাদের উপকার করে, তোমরা যদি কেবল তাদেরই উপকার কর, যাঁরা ধার শোধ করতে পারে এমন লোকদেরই যদি কেবল তোমরা ধার দাও, তবে তাতে প্রশংসার কি আছে? কিন্তু তোমরা তোমাদের শত্রুদের ভালবেসো, তাদের মঙ্গল করো, আর কিছুই ফিরে পাবার আশা না রেখে ধার দিও৷ তাহলে তোমাদের মহাপুরস্কার লাভ হবে, আর তোমরা হবে পরমেশ্বরের সন্তান, কারণ তিনি অকৃতজ্ঞ ও দুষ্টদের প্রতিও দয়া করেন৷” (লুক ৬:২৭-২৮, ৩২-৩৬)

বাইবেল সম্পর্কে মিথ্যাচার

একটি উদাহরণ দাবি করে যে নিউ টেস্টামেন্ট (নববিধান) হল ওল্ড টেস্টামেন্টের (আদিপুস্তক) একটি সংশোধিত বিষয়, যা ওল্ড টেস্টামেন্টকে নিউ টেস্টামেন্টে পুনর্বার লেখা হয়েছিল।  প্রকৃত বিষয়টি হল এমন যে ওল্ড টেস্টামেন্ট কখনই নতুন করে লেখা হয়নি এবং কখনই নিউ টেস্টামেন্ট দ্বারা পরিবর্তন করা হয়নি।  এটাকে ওল্ড টেস্টামেন্ট বলা হয় এই কারণ যে, এটাতে আদম ও হাওয়া আঃ থেকে শুরু করে যীশুর পূর্ব সময় পর্যন্ত বাইবেলের সমস্ত ধর্মগ্রন্থের (মূসা এবং নবীদের) উপস্থিতি রয়েছে। আর নিউ টেস্টামেন্টে রয়েছে যীশুর একজন মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ, তাঁর জীবন, মৃত্যু, পুনরুত্থান সহ তাঁর শিষ্য ও প্রচারকদের অনুসরণীয় মিশনারি কার্যাবলী সম্পর্কিত বাইবেলের ধর্মগ্রন্থসমূহের উপস্থিতি।  নিউ টেস্টামেন্ট হল ওল্ড টেস্টামেন্টের পরিপূর্ণতা, প্রতিস্থাপন নয়। ওল্ড টেস্টামেন্টে ঈশ্বর তাঁর নবীদের মাধ্যমে পতিজ্ঞা করেছেন যে তিনি বিশ্বে একজন ত্রাণকর্তা প্রেরণ করবেন।  নিউ টেস্টামেন্ট হল এই ত্রাণকর্তা এবং ভবিষ্যদ্বাণীগুলির পরিপূর্ণতার ব্যাপারে।

বর্তমানে ওল্ড ও নিউ টেস্টামেন্টের আসল ধর্মগ্রন্থগুলিও বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা হয়েছে এবং পরবর্তী কোনও পরিবর্তন ছাড়াই মূল বা আসল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত বাইবেলের বর্তমান অনুবাদের কিছু অংশে সামান্ন পার্থক্য থাকতে পারে, তবে এই পার্থক্যগুলি নগণ্য এবং যীশুর ধর্মবাণী বা গসপেলের পরিবর্তন করে না। বাইবেলে শুধুমাত্র ওল্ড টেস্টামেন্টের ধর্মগ্রন্থগুলি রয়েছে যা যীশু ঈশ্বরের বাণী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন, এবং অতি প্রাচীন গ্রন্থগুলি তাঁর নিকটতম শিষ্য / প্রচারকদের আলোকে।  বাকি অন্যান্য সব লেখা বাইবেলে অন্তর্ভূক্ত হয়নি।

অসত্য বিবৃতির আরেকটি উদাহরণ হল যে যীশু বাইবেলের ধর্মগ্রন্থগুলিতে একজন নবী প্রেরণের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যিনি অবশ্যই তাঁর পরে আসবেন। যীশু বিপরীতে বলেছিলেন যে তিনি ছিলেন ভবিষ্যদ্বাণীর সমাপ্তি এবং শেষ, কারণ এটাই ছিল তাঁর যা তারা ধারণা করেছিল। তিনি ছিলেন সেসব ভবিষ্যদ্বাণীর পরিপূর্ণতা (লুক ২৪:৪৪, যোহন ১২:৪১, যোহন ৫:৪৬-৪৭, যোহন ২০:৩১)। কিন্তু যীশু যখন এই বিশ্ব ত্যাগ করেছিলেন এবং তাঁর পিতার কাছে ফিরে এসেছিলেন তখন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি পবিত্র আত্মা/সত্যের আত্মাকে প্রেরণ করবেন যা তাঁর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে এবং তাঁর বিশ্বাসীদের মাঝে বাস করবে।

“আমি পিতার কাছ থেকে একজন সাহায্যকারী পাঠাবো, তিনি সত্যের আত্মা৷ তিনি যখন পিতার কাছ থেকে আসবেন, তিনি আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দেবেন৷” (যোহন ১৫:২৬-২৭)

“অথবা তোমরা কি জান না, তোমাদের দেহ পবিত্র আত্মার মন্দির, তিনি তোমাদের মধ্যে বাস করেন, য়াঁকে তোমরা ঈশ্বরের কাছ থেকে পেয়েছ?” (১ম করিন্থীয় ৬:১৯)

যীশু - শুধুই কি একজন নবী?

যীশু স্পষ্ট করেছিলেন যে তিনি একজন নবীর চেয়ে অনেক বেশি, তিনি ছিলেন ভবিষ্যদ্বাণী সমূহের পরিপূর্ণতা ও সমাপ্তি এবং তিনিই ছিলেন বিশ্বের ত্রাণকর্তা।

তিনি যদি কেবল একজন সত্য নবীই হন তবে তিনি নিজের সম্পর্কে যা বলেছিলেন তা তিনি কখনই বলতে পারতেন নাঃ

“আমিই পুনরুত্থান, আমিই জীবন৷ য়ে কেউ আমাকে বিশ্বাস করে, সে মরবার পর জীবন ফিরে পাবে৷ য়ে কেউ জীবিত আছে ও আমায় বিশ্বাস করে, সে কখনও মরবে না৷” (যোহন ১১:২৫-২৬)

“আমিই পথ, আমিই সত্য ও জীবন৷ পিতার কাছে যাবার আমিই একমাত্র পথ৷” (যোহন ১৪:৬)

“আমার পিতা এই চান, য়ে কেউ তাঁর পুত্রকে দেখে ও তাতে বিশ্বাস করে, সে য়েন অনন্ত জীবন লাভ করে; আর আমিই তাকে শেষ দিনে ওঠাব৷” (যোহন ৬:৪০)

যীশু যে কথাগুলো বলেছিলেন তা তাঁর শিষ্যগণ যারা তাঁর সাথে কয়েক বছর ধরে ছিলেন তারা প্রত্যক্ষ করেছিলেন ও সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। মানুষকে কষ্ট ও অসুস্থতা থেকে মুক্ত করার জন্য তিনি যেসব শক্তিশালী অলৌকিক কাজ ও চিকিৎসা করেছিলেন তারা সেটাও প্রত্যক্ষ করেছিলেন ও সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এগুলি সবই তাঁর শিষ্যদের মতে নিউ টেস্টামেন্ট, গসপেলগুলিতে বর্ণিত হয়েছে; মথি, মার্ক এবং যোহন।

এটা জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল; একজন ব্যক্তি সম্পর্কে সবচাইতে বেশি জ্ঞান কার কাছে থাকবে? যিনি তাঁর সাথে বেশ কয়েক বছর ধরে ছিলেন এবং তিনি যা বলেছেন, করেছেন তার সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি, নাকি এমন কেউ যে কয়েকশত বছর পরে এসেছে এবং এই বিষয়গুলির কোনও একটিরও সাক্ষ্য দেয়নি?

যীশু (ঈসা) - ঈশ্বরের বাণী

মুসলিম ধর্মাবলম্বী প্রতিটি মানুষের বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক হওয়া উচিত যে কোরান (পবিত্র কুরআন) যীশুর “মাসীহ” (ঈশা আঃ) এর শিরোনাম ব্যাবহার করেছে। পূর্ববর্তী সময়ে মাসীহ ত্রাণকর্তার জন্য আলাদা একটি শব্দ।  কোরান যীশু (মাসীহ) কে ঈশ্বরের বাণী হিসেবে প্রকাশ করেছে (সুরা আলে ইমরান ৩:৪২-৪৫)।  এবং যীশুর শব্দগুলি তাঁর শিষ্যদের মতে নিউ টেস্টামেন্টের গসপেলে পাওয়া যায়।

যীশু যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা কেবলমাত্র খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী লোকদের জন্যই নয়, বরং এটা সমভাবে যেকোনও ধর্মের সকল স্বাধীন মানুষদের জন্য। আমাদেরকে ঈশ্বরের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ তৈরি করতে তিনি আমাদের পাপের জন্য মারা গেছেন, যেহেতু আমাদের পাপ আমাদেরকে তাঁর থেকে পৃথক করেছে (যেমন যীনা, ব্যভিচার, অহংকার, অশ্লীলতা, ঘৃণা, তর্ক-বিতর্ক, হিংসা, ক্রোধ, স্বার্থপর উচ্চাকাঙ্ক্ষা, বিভেদ, বিদ্বেষ,  প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নির্দয়তা, প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভাল না বাসা ইত্যাদি)।

ঈশ্বর হলেন পবিত্র, আর সেজন্য কোনও পাপী তাঁর রাজ্যে আসতে পারে না।  কিন্তু আমাদের প্রতি তাঁর ভালবাসার কারণে, তিনি আমাদের সকলের অপরাধ ও পাপ যীশুর উপর দিলেন এবং যীশুর মাধ্যমে আমাদের জন্য ফিরে আসার পথ তৈরি করলেন।  যীশু, যিনি নিষ্পাপ ছিলেন এবং যারফলে কেবলমাত্র একজনই আমাদের শাস্তি দিতে পারতেন, তিনি একজন মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করে বলির মেষশাবক হতে চাইলেন।  যীশু ক্রুশে যা অর্জন করেছিলেন তিনি তা আমাদের সবার জন্য করেছিলেন।

“কিন্তু আমরা যখন পাপী ছিলাম খ্রীষ্ট তখনও আমাদের জন্য প্রাণ দিলেন; আর এইভাবে ঈশ্বর দেখালেন য়ে তিনি আমাদের ভালবাসেন৷” (রোমীয় ৫:৮)

“খ্রীষ্ট কোন পাপ করেন নি; কিন্তু ঈশ্বর খ্রীষ্টের ওপর আমাদের পাপের সব দোষ চাপিয়ে দিয়েছেন, য়েন খ্রীষ্টের মধ্যে ঈশ্বরের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়৷” (২ করিন্থীয় ৫:২১)

“বাণী”:

“আদিতে বাক্য ছিলেন, বাক্য ঈশ্বরের সঙ্গে ছিলেন আর সেই বাক্যই ঈশ্বর ছিলেন৷ সেই বাক্য আদিতে ঈশ্বরের সঙ্গে ছিলেন৷ তাঁর মাধ্যমেই সব কিছুর সৃষ্টি হয়েছিল এবং এর মধ্যে তাঁকে ছাড়া কোন কিছুরই সৃষ্টি হয় নি৷ তাঁর মধ্যে জীবন ছিল; আর সেই জীবন জগতের মানুষের কাছে আলো নিয়ে এল৷ সেই আলো অন্ধকারের মাঝে উজ্জ্বল হয়ে উঠল; আর অন্ধকার সেই আলোকে জয় করতে পারে নি৷…….বাক্য মানুষের রূপ ধারণ করলেন এবং আমাদের মধ্যে বসবাস করতে লাগলেন৷ পিতা ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র হিসাবে তাঁর য়ে মহিমা, সেই মহিমা আমরা দেখেছি৷ সে বাক্য অনুগ্রহ ও সত্যে পরিপূর্ণ ছিলেন৷ য়োহন তাঁর সম্পর্কে মানুষকে বললেন, ‘ইনিই তিনি য়াঁর সম্বন্ধে আমি বলেছি৷ ‘যিনি আমার পরে আসছেন, তিনি আমার থেকে মহান, কারণ তিনি আমার অনেক আগে থেকেই আছেন৷ সেই বাক্য অনুগ্রহ ও সত্যে পূর্ণ ছিলেন৷ আমরা সকলে তাঁর থেকে অনুগ্রহের ওপর অনুগ্রহ পেয়েছি৷ কারণ মোশির মাধ্যমে বিধি-ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অনুগ্রহ ও সত্যের পথ যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে এসেছে৷ ঈশ্বরকে কেউ কখনও দেখেনি; কিন্তু একমাত্র পুত্র, যিনি পিতার কাছে থাকেন, তিনিই তাঁকে প্রকাশ করেছেন।” (যোহন ১:১-৫ ও ১৪-১৮)

এবং তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ

 

“তুমি যদি মশীহ হও তাহলে আমাদের স্পষ্ট করে বল৷’ এর উত্তরে যীশু তাদের বললেন, ‘আমি তোমাদের ইতিমধ্যেই বলেছি, আর তোমরা তা বিশ্বাস করছ না৷ আমি আমার পিতার নামে য়ে সব অলৌকিক কাজ করি সেগুলিই আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে৷ কিন্তু তোমরা বিশ্বাস করো না, কারণ তোমরা আমার পালের মেষ নও৷ আমার মেষরা আমার কন্ঠস্বর শোনে৷ আমি তাদের জানি, আর তারা আমার অনুসরণ করে৷ আমি তাদের অনন্ত জীবন দিই, আর তারা কখনও বিনষ্ট হয় না, আমার হাত থেকে কেউ তাদের কেড়ে নিতেও পারবে না৷ আমার পিতা, যিনি তাদেরকে আমায় দিয়েছেন, তিনি সবার ও সবকিছু থেকে মহান, আর কেউ পিতার হাত থেকে কিছুই কেড়ে নিতে পারবে না৷ আমি ও পিতা, আমরা এক৷” (যোহন ১০: ২৪-৩০)

“খুঁজুন, আপনি পাবেন”

প্রত্যেকের নিজস্ব দক্ষতা থাকা উচিত এবং যীশুর বাণী যাচাই করা উচত।  যদি আপনি তাঁকে আপনার অন্তর থেকে খুঁজেন, তাঁর কাছে প্রার্থনা করেন এবং তাঁর বাণী পড়েন, তাহলে যীশু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে আপনি তাঁকে খুঁজে পাবেন, এবং আপনি দেখবেন যে সে জীবিত এবং তিনিই সে যিনি তাঁকে দাবি করেছেন; সমগ্র মানবজাতির জন্য ঈশ্বরের নিকট ফিরে আসার একমাত্র পথ।

যীশু বললেন; “চাইতে থাক, তোমাদের দেওয়া হবে৷ খুঁজতে থাক, পাবে৷ দরজায় ধাক্কা দিতে থাক, তোমাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হবে৷
কারণ য়ে চাইতে থাকে সে পায়, য়ে খুঁজতে থাকে সে খুঁজে পায়, আর য়ে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে তার জন্য দরজা খুলে দেওয়া হয়৷”
(মথি ৭:৭-৮)

“আমিই জগতের আলো৷ য়ে কেউ আমার অনুসারী হয় সে কখনও অন্ধকারে থাকবে না; কিন্তু সেই আলো পাবে যা জীবন দেয়৷” (যোহন ৮:১২)

“ধন্য সেই লোক, য়ে আমাকে গ্রহণ করার জন্য মনে কোন দ্বিধা বোধ করে না৷” (লুক ৭:২৩)

আপনি যদি যীশু এবং তাঁর জীবন, মৃত্যু ও তাঁর পুনরুত্থানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও পড়তে চান তবে শুরুতেই আমরা যে বিষয়টি সুপারিশ করবো তা হচ্ছেঃ যোহনের দ্যা গসপেল এবং তারপর নিউ টেস্টামেন্টে রোমীয়দের কাছে প্রেরিত পলের চিঠি পাঠ করুন।

 

প্রভুর অনুগ্রহ আপনাদের সাথে থাকুক।

যীশুর শেষ বাণীসমূহ

তাঁর পুনরুত্থানের পর তিনি যেখান থেকে এসেছিলেন সেখানে ফিরে যাওয়া এবং এই বিশ্বকে ত্যাগ করার ঠিক পূর্ব মূহুর্তে তাঁর শিষ্যদেরকে এই শেষ কথাগুলো বলেছিলেনঃ

“স্বর্গে ও পৃথিবীতে পূর্ণ ক্ষমতা ও কর্ত্তৃত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে৷ তাই তোমরা যাও, তোমরা গিয়ে সকল জাতির মানুষকে আমার শিষ্য কর৷ পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে বাপ্তিস্ম দাও৷ আমি তোমাদের য়েসব আদেশ দিয়েছি, সেসব তাদের পালন করতে শেখাও আর দেখ যুগান্ত পর্যন্ত প্রতিদিন আমি সর্বদাই তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে আছি। ” (মথি ২৮:১৮-২০)

আরও – আরবি ওয়েবসাইট https://cmaa.us/